"খুন করার মধ্যে একটি পৈশাচিক আনন্দ রয়েছে"
প্রতিবেদনটি দেখে চোখ আটকে গেল। আটকাবারই কথা, বেশ আকর্ষণীয় বটে। তবে প্রতিবেদকদের পাতা ফাদে পা দেয়ার মত লোক আমি নই। কেননা শিরনাম যত আকর্ষণীয় ভেতরে তত হাবিজাবি লেখায় পরিপূর্ণ। শেষমেশ দেখা যাবে সংলাপটি কোনো নাটকের পাঞ্চ লাইন, দিয়েছেন বড়ছেলে খ্যাত কোন নাট্যশিল্পী। যত্তসব!
সকাল ৭ টা বেজে ৫০ মিনিট। স্যারের আসার সময় হয়ে গেছে। তিনি এলজিইডি- এর সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। নাম আশরাফ চৌধুরী। গোলগাল চেহারার বেটে খাটো মানুষ। একটি স্থির প্রকৃতির বটে তবে হাটার সময় পেটটা আগে চলে। তার মতে ভুঁড়ি হচ্ছে আভিজাত্যের প্রতিক। সর্বাক্ষনিক তার মুখে এক খিলি পান থাকায় হাসিটা বিদঘুটে সাথে বয়সটাকেও ভারী করে তুলেছে। হাসলে তাকে বেমানান লাগে।
তার একটি বিশেষ গুন আছে। ঘুষ খাওয়ায় অফিসের সবাইকে তিনি টপকে গেছেন। গত তিন বছর ধরে তার অবস্থানই সেরা কেউ তাকে রেটিং পয়েন্টে হারাতে পারেনি।
গত বছর সাদেক সাহেব রেটিং পয়েন্টে স্যারের সমতায় চলে এসেছিলেন তবে স্যারের ঘোড়ার এক দানে চেকমেইট। আবার অবস্থান অটুট। সরকারী অফিস তাও আবার এলজিইডি- এর মত বিরাট সংস্থান। এখানে ঘুষ খাওয়া একটি প্রতিদিনকার অভ্যাস, নিছকই হাতের ময়লা ঝাড়ার মত।
স্যারের গাড়ি প্রায় দেড় বছর যাবত চালাচ্ছি। এই অল্পসময়ই তার বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। চাকরিটা হয়েছিল ভাগ্যের জোরেই, আগের ড্রাইভারটা অসুস্থ ছুটি নিয়ে গ্রামে চলে গেয়েছিল আর আসেনি। এরপর চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে আমি আসি।
সাদা গেইটে আবৃত বিশাল বাড়ী। গেইটের পাশে অবস্থানরত কলিং চাপ দিলাম। কারো কোন সাড়া শব্দ নেই। ৩ বার চপার পর রোগা পটকা বিরাট গফ ওয়ালা লোক গেট খুলে বেড়িয়ে এল। দেখে মনে হল সদ্য ঘুম থেকে উঠেছে। তার মুখে বিরক্তির ছাপ।
- চাই কি?
- আমি বিজ্ঞাপন দেখে এসেছি, চাকরির জন্য। আশরাফ চৌধুরী স্যার কি আছেন?
- এইখানেই দাড়ান। আমি স্যাররে জিগাই আইতাছি।
- আচ্ছা।
টেলিফোন নিয়ে কি একটা করে আবার ফিরে এলো।
- যান স্যারে আপনারে উপরে ডাকছে।
- আচ্ছা।
- সোজা গিয়া হাতের ডাইনে সিঁড়ি।
- ধন্যবাদ
দারোয়ানের দেয়া ডিরেকশন মতে উপরে অগ্রসর হলাম। একজন মধ্যবয়স্ক লোক পায়ের উপর পা দিয়ে খবরের কাগজ পড়ছে সামনে কফির মগ থেকে ধোয়া উঠছে, মনে হয় সদ্য বানানো। এই লোকই বোধয় আশরাফ চৌধুরী।
- স্যার আসবো?
- এসো! বসো অইখানটায়।
- ধন্যবাদ স্যার।
- কি নাম?
- স্যার, জাকারিয়া।
- বেশ। কত বছর ধরে গাড়ি চালাচ্ছো? মানে অভিজ্ঞাতা আরকি।
- জ্বী স্যার পাঁচ বছর।
- ড্রাইভিং লাইসেন্স আসে তো? নাকি এমনিতেই গাড়ি চালাতে চলে আসছো? হাহাহা
লোকটার রসিকতার ধরনটা ঠিক হজম করতে পাড়লাম না।
- জ্বী। আসে স্যার
- তা বেশ। থাকো কোথায়?
- স্যার ফার্মগেটের একটি ম্যাসে থাকি। গ্রামের বাড়ী মুন্সিগঞ্জ।
- ভোটার আইডি কার্ড আর ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি রেখে যাও সাথে মোবাইল নম্বরটা লিখে যেও। ক্যান্ডিডেট আরো আসুক, পর্যবেক্ষণ করি। সময় হলে জানাবো।
- ধন্যবাদ স্যার।
এরপরে ভাগ্যক্রমে চাকরিটা হয়ে যায়।
আমি জাকারিয়া। এইচ. এম জাকারিয়া। এইচ. এম মানে হুসাইন মোহাম্মদ। বাবা শখ করে নামটা রেখেছিলেন। তার হয়ত ইচ্ছে ছিল ছেলেটা বেশ বড় হবে, নাম কামাবে তাই এই বাহারি নাম। কিন্তু বড় হয়েছি ঠিকই তবে গায়ে-পায়ে বাকি গুলো আর আমার দ্বারা হয়ে উঠেনি। তাই আগের এইচ.এম - টা মুছে গেছে। এসব টাইটেল ড্রাইভারদের মানায় না।
ড্রাভারের নাম হওয়া উচিৎ জিকো। চাকরির যখন দুই মাস স্যার ডেকে বল্লেন-
- তোমার নামটা কি যেনো?
- স্যার, জাকারিয়া
- না। এসব নাম এখানে চলবে না।
- আজ্ঞে মানেটা ঠিক বুঝলাক না স্যার।
- তোমার নতুন নামকরন করা হয়েছে। আজ থেকে তোমার নাম জিকো।
- জিকো!!! স্যার বাবা শখ করে নাম টা রেখেছিলেন। এ নাম কিভাবে........
- চুপ কোন কথা নয়। আজ থেকে তোমার নাম জিকো। আমি বলে দিচ্ছি আজ থেকে সবাই তোমাকে জিকো বলেই ডাকবে।
কাচুমাচু গলায় উত্তর দিলাম - জ্বী আচ্ছা স্যার।
বাবার দেয়া নাম সুন্দর নামটি পরিবর্তন করতে হল। চাকরির আয়ু দীর্ঘায়ত করতে হলে এইটা মেনে নেয়াই ভালো। জাকারিয়ার বদলে জিকো, কি বিশ্রী অবস্থা। যাক এই নাম হয়ত স্যারের ছেলের নাম হবে, ছোট বেলায় মারা-টারা গেছে তার স্মৃতি ধরে রাখতেই আমাকে ভালোবেসে তার এই পদক্ষেপ। এই ভেবে বেশ খুশিও হয়েছিলাম।
সেগুড়ে বালি! পড়ে শুনলাম কোন ছেলে-টেলে কিছুই না। জিকো হচ্ছে একটি কুকুরের নাম। নাহ!! এ অপমান মানা যায়না। আবার ভাবলাম স্যারের হয়ত পোশা কুকুর, নিজের হাতে পুশেছেন। ভালোবাসারইতো বস্তু ক্ষতি কি? এইভেবে মনকে শান্তনা দিয়েছি। কিন্তু সেইটাও আমার ভুল ধারনা স্যার কুকুর বিদ্বেষী, কুকুর দুই চোখের কিনারাতেও দেখতে পারেন না। শুধু পাশের বাড়ির মিসেস দিনার কুকুর ছাড়া। মালকিন যে সুন্দর তার কুকুর পছন্দ না করে আর উপায় আছে?
এই নামটি পাশের বাড়ির মিসেস দিনার কুকুরের। তাও আবার যে সে কুকুর নয়, বড় বজ্জাত টাইপের। এটা কোন কথা? ভেবেছিলাম লোকটা আমাকে বেশ ভালোবাসে, স্নেহ করে। এতো রীতিমত বেইজ্জতি করছে। কুকুরের সাথে আমার তুলনা তাও মিসেস দিনার বজ্জাত কুকুরের?
মিসেস দিনা স্যারের প্রতিবেশী। মহিলা বেশ রূপবতী। শাড়ি পরলে তার বয়স দশ বছর কমে যায় তখন তাকে তরুণী ভেবে যে কেউই ভুল করে বসে। সারাদিন সেজেগুজে সিরিয়ালের চরিত্র হয়ে বসে থাকেন। তার স্বামী মিলিটারিতে ছিলেন, মিশনে গিয়ে বুকের বাম পাশে গুলি খেয়ে মারা যান। এরপরে আর মিসেস দিনা বিয়ে করেননি।
শুনেছি মিসেস দিনার সাথে স্যারের লটরপটর চলে। আমার ধারনা তার কথাতেই স্যার আমার নাম জিকো দিয়েছে, কুকুর তো আর পুষতে পারবে না তাই আমাকে বেচে নেওয়া আরকি। দাড়াও চান্দু ধরি একবার দুজনকে হাতে নাতে। সোজা গিয়ে ম্যাডামকে দেখাবো, লাথি মেড়ে বের দেবে। ব্যাটা বদমাইশ।
দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কি ভাবছো জিকো? গাড়ির দরজাটা খুলো।
- জ্বি স্যার জ্বি।
- অকাম্মা তুমি একটা। তোমাদের আশকারা দিলে মাথায় চড়ে বসো।
- স্যার অফিসের দিকে যাবো?
- না শাহবাগের কন্সট্রাকশন সাইডটায় চলো। পর্যবেক্ষণ করে তারপর অফিস যাবো।
- জ্বী আচ্ছা।
- এফএম রেডিও বন্ধ কর। কতবার বলেছি আমি গাড়াতে থাকাকালীন এসব চালাবে না। দ্বিতীয়বার যেন এই ভুল টা না হয়।
- জ্বী স্যার! আর ভুল হবে না।
একি তুমি আসাদ গেটের দিকে ক্যানো যাচ্ছো? সব সময় তো স্যায়েন্সল্যাব হয়ে এ্যলিফ্যান্ট রোড দিয়ে যাই!
- স্যার আজকে ওদিকটায় বেশ জ্যাম। তাই ভাবছি ফার্মগেট দিয়ে বাংলা মটর হয়ে যাবো।
- আচ্ছা যাও।
সবকিছু প্লান মোতাবেক এগুচ্ছে। শেষটা ভালো হলেই ভালো।
আমার বাবা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন বাংলা শিক্ষক। সততাকে সঙ্গি করে কিভাবে পথ চলতে হয় সেইটা তাকে না দেখলে বোঝা সম্ভব নয়। মা একটা বড় সংস্থানে অস্থায়ী ছোট্ট চাকরি করতেন। আমার বয়স তখন ১০ কি ১১ বছর। বেশ সুখী পরিবার ছিলাম আমরা। তবে সুখ বেশিদিন দীর্ঘায়ত হয়নি। মা আত্মহত্যা করেন। এই ঘটনা বাবাকে বেশ ব্যাথিত করেছিল। যার ফলে তিনিও বেশিদিন বাচতে পারেনি। মায়ের আত্মহত্যার ঘটনা প্রথমে না জানলেও বাবা মারা যাওয়ার আগে বলে গিয়েছিলেন। মায়ের অফিসের এক বড় কর্মকর্তা অফিস ছুটি হওয়ায় পড়ে মাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এই বর্বরতার তকমা কপালে নিয়ে সে হয়ত বেচে থাকতে চায়নি।
ফার্মগেট থেকে বাংলা মটরের রাস্তায় না গিয়ে হলিক্রস কলেজের রাস্তায় ঢুকে পড়েছি। স্যার খেয়াল করেনি খবরের কাগজের মধ্যে ডুবে আছেন। আমি ছুটছি আমার গন্তব্যে, স্যারের নয়।
শুনশান এলাকা। এই রোডে খুব একটা মানুষ দেখা যায় না। এ একদিনের পর্যবেক্ষণের সিন্ধান্ত নয়, বহুদিনের।
ইচ্ছে করেই চাবি ঘুরিয়ে স্টার্ট অফ করলাম।
- কি হয়েছে গাড়ি থামালে কেনো?
- জানিনা স্যার। হঠাৎ ইঞ্জিন অফ হয়ে গেল। নেমে দেখছি কি হয়েছে।
স্যারও নেমে দাঁড়ায়েছে চোখে বিস্ময়।
-এইটা কোন জায়গা?
আমি ইঞ্জিন কাভার উঠাতে উঠাতে
- স্যার রাস্তা ভুল করে এখানে চলে এসেছি।
- রাস্তা ভুল করে মানে। ফাজলামো করছো আমার সাথে? বেয়াদব কোথাকার, ধুরুন্দর। কালকে থেকেই তোর চাকরি নট। নট মানে নট।
আমার হাত ইঞ্জিনে থাকলেও দৃষ্টি স্যারের প্রতিটা মুভমেন্টের উপর। তিনি রাগে কাঁপছেন, উল্টো দিকে ঘুরে ফোনে কিছু একটা করছেন। এইটাই মুখ্যম সময়। গাড়িতে আমার সিটের পাশে লুকিয়ে রাখা রডটা জানালা দিয়ে বের করে পেছন থেকে স্যারের মাথায় সপাটে এক বারি, সে সামনে ঘুরতেই আরেক দফায় বারি।
আগেই বলেছিলাম গায়ে-পায়ে বড় হয়েছি বেশ। ৮৫ কেজি ওজন কর্তৃক মানুষের দুইটা বারি খেয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মুশকিল, হলও তাই। আশরাফ চৌধুরী মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছেন। সাবধানে তাকে গাড়িতে উঠালাম।
একটু দুরেই নির্মাণ কাজ অসম্পন্ন একটি বাড়ি পড়বে।
আমার গন্তব্য সেখানেই। বাড়িটি অনেক বছর যাবত এভাবেই পরে আছে।
স্যারকে কাধে আর গাড়ির ব্যাক কভার থেকে টুল বক্স হাতে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করলাম। চারিদিকে আবছা অন্দকার, ইটের দেয়ালের কিছু বর্গাকার ছিদ্র দিয়ে অল্প আলো প্রবেশ করছে।
স্যারকে দেলায়ের সাথে হেলিয়ে বসালাম। ব্যাটার দম আছে বলতে হবে। এখনো জ্ঞাম হারায়নি। বেশ! বেশ! ভালোই হল। তার সাথে ঘটা কর্মকান্ড গুলো নিজ চোখে দেখতে পারবে। আবার অনেক কথা শোনারও যে খুব দরকার, খুব। হাহাহাহাহা।
-কি আশরাফ চৌধুরী মনে পড়ে রেবেকা বেগম নামের কাউকে? মনে পড়ে ১৫ বছর আগে তোর সেই বর্বরতার চিত্র?
- পানি!পানি!পানি।
- হাহাহাহাহাহা। নাহ আর সময় নষ্ট নয় স্যার। এবার আপনাকে অন্তিম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া আমার কর্তব্য। এই কর্তব্য থেকে আমাকে বঞ্চিত করবেন না।
টুল বক্স থেকে দুইটা বড় বড় সুচাকৃতি বস্তু বের করলাম। স্যারের চোখগুলো বড় জ্বালাচ্ছে, যে কোন সময় মায়ায় পড়ে যেতে পারি তাহলেই বিরাট সমস্যা। মায়া জিনিষটা খুবই খারাপ একবার গ্রাস করলে আর রক্ষা নেই। তাই আগে চোখ দুটো উপড়ে ফেলা উচিৎ। যেই ভাবা সেই কাজ। তবে চোখের একটা রেটিনা গলে গেল। ভেবেছিলাম দুইটাই আস্তো উঠাবো। নাহ আমি বড্ড আনাড়ি। পরের স্টেপ গুলো সাবধানতার সাথে অবলম্বন করতে হবে। বি কেয়ারফুল জাকারিয়া বি কেয়ারফুল, হাহাহাহাহাহা।
ব্যাটা খুব চিৎকার করে আমার কাজে বাধা দিচ্ছে। গলাটাই কেটে দিব? না থাক, চিৎকারের মধ্যে একটা উত্তেজনা অনুভব করছি। খবরের কাগজের সেই প্রতিবেদনের শিরনামটা তো তাহলে ঠিকই, আসলেই তো একটা আনন্দ আছে। একেই কি পৈশাচিক আনন্দ বলে? হয়ত।
বক্স থেকে হাতুড়িটা বের করা দরকার সাথে কিছু পেরেক, স্যারের মাথায় আর বুকের পাঁজরে পেরেক ঢুকানো প্রয়োজন। এই ব্যাটাকে অন্য স্টাইলে মারবো বলেই পন করেছি। সাধারণ ভাবে মারলে ব্যাপারটায় মজা থাকবে না। মাথায় পেরেক গুলো অনায়াসে ঢুকে যাচ্ছে সাথে একটা সুন্দর টিউন তৈরী হয়েছে । রক্তগুলো চিনচিন করে আমার মুখে ছিটছে। এবার কিং সাইজের হাতুড়ি দিয়ে স্কটামে অনবরত বারি বসাচ্ছি। খেল খতম!
এবার চাপাতির কারুকার্যের পালা। খুব সুন্দর করে দক্ষ কসাইয়ের মত দেহটাকে গুটিগুটি কয়েকশ টুকরা করলাম। ব্যাটার হাড্ডিগুলো বেশ মজবুত, পেকে গেছে এক্কেবারে। কাটতে গিয়ে ঘাম ঝড়াতে হয়েছে। টুকরোগুলো ঠিকভাবে গুনে নেয়া দরকার। হিসেব রাখলে চলবে না। নিজেকে নিজেই বাহবা দিচ্ছি, বাহ! জাকারিয়া বাহ! তুমি তো কামাল দেখিয়ে দিলে। শাবাশ!
এঘটনার এক বছর পর সারা দেশে চাপা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কোন এক বিকৃত মস্তিষ্কের লোক তার মায়ের খুনি ভেবে নিরীহ মানুষকে খুন করে যাচ্ছে। পুলিশ তাদের সাধ্যমত চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে কিন্তু খুনিকে পাকড়াও করা সম্ভব হয়ে উঠেনি শুধু খুনের মোটিভটা জানা গেছে। এ পর্যন্ত ৭ জনকে তার শিকার বানিয়েছে।
বাংলা থ্রিলার গল্প By Hasib Shanto

0 Comments